নিজস্ব প্রতিনিধি
মানুষের কল্যাণের সংগঠন রেড ক্রিসেন্ট। সেই রেড ক্রিসেন্টে এখনো বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগী কৃষ্ণ দাশ । ২০২১ সালে মেয়ে কেলেঙ্কারিতে যুক্ত হয়ে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম ইউনিট থেকে বহিষ্কার হয়। কিন্তু ২০২৩ সালে তৎকালীন জেলা পরিষদ নির্বাচনে জয় লাভ করে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম আসলে সেই কৃষ্ণ দাশ তখন রেড ক্রিসেন্ট কার্যক্রমে আবার সংযুক্ত হয় থাকে।
২০২৪ সালে যুব রেড ক্রিসেন্ট কমিটি করার নামে ফটিকছড়ি হওয়ার সুবির্ধাতে মেয়ে কেলেঙ্কারিতে বহিষ্কৃত সেই কৃষ্ণ দাশকে ঐ কমিটির ১ নাম্বার সহ সভাপতি করে বহাল করে। এতেই সেই ক্লান্ত হয়নি এক বছর মেয়াদী সেই কমিটি মেয়াদ থাকলেও সেই কমিটি ৯ মাসের মাথায় ভেঙ্গে দিয়ে কৃষ্ণ দাশকে সভাপতি করে পুনরায় ঐ কমিটি অনুমোদন করেন স্বয়ং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম। সেই কমিটি নতুন কোন অর্ন্তভুক্ত না করে ১টি পদ খালি হলে সেই কমিটিতে আবারও তার আস্থাভাজন স্থান পাই। এখনো সেই কৃষ্ণ দাশ রেড ক্রিসেন্টের সংস্থায় রাজত্ব করছেন।
বিশেষ করে এখনো সেসব পদে বহাল রয়েছেন। অথচ গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ৫ আগস্টের পর সারা দেশের সব প্রতিষ্ঠান থেকে ফ্যাসিস্ট উচ্ছেদ কার্যক্রম চললেও এখনো অনেক জায়গায় ফ্যাসিস্ট অবস্থান করছেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর। কিন্তু গঠনতন্ত্র মোতাবেক ১৫ জনের কমিটি গঠনের রেড ক্রিসেন্ট স্বেচ্ছাসেবকদের বয়স ৩০ বছর হলেও এই কমিটিতে ৩০ বছর বয়সোর্দ্ধ এবং বিবাহিত অনেকের স্থান পায় এই কমিটি। গুটিকয়েক ৪ থেকে ৫ জন কমিটি মেম্বারদের মাধ্যমে সেই রেড ক্রিসেন্ট কাজ চালায়। কোন স্বেচ্ছাসেবক তার স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে কথা বললে সেই কৃষ্ণ দাশ রেড ক্রিসেন্ট স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে প্রতিনিয়ত খারাপ ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে একনায়কতন্ত্র কায়েম করে গ্রুপিং করছে এই সংগঠনে