আজ - | | হিজরী

সকালের মধ্যে ১৩ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঢাকা-১৭ আসনের পাঁচ মন্দিরে সাড়ে ৬ কোটি টাকার অনুদান ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার চট্টগ্রামে আসছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের দুটি জাহাজ আবারও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের টঙ্গীতে ভয়াবহ আগুন, প্রায় ৪০ বস্তিঘর পুড়ে ছাই কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন ড. খন্দকার মোশাররফ সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ বিএসএফের গুলিতে কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে প্রিয় শিক্ষিকার অবসরে ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন কোয়েল মল্লিক পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ‘কলকাতা হামলা’ মন্তব্যে ক্ষোভ মমতার এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৮ হাজার লিটার মজুত তেল উদ্ধার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিকট বিস্ফোরণ ইরা   

লাগানো হবে ২৫ কোটি গাছ, অগ্রাধিকার দেশীয় প্রজাতিতে

নিউজ ক্রাইম সিক্রেট
  • আপডেট টাইম :   রবিবার | মার্চ ২৯, ২০২৬ | ১০:০৮ এএম
  • ১৩০৭১ বার
ডিজিটাল ডেস্ক

দেশে গত এক দশকে কমেছে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি গাছ। একই সময়ে বনভূমিতে দেশীয় প্রজাতির জায়গা দখল করে বিস্তার ঘটে বিদেশি আগ্রাসী গাছের—বিশেষ করে আকাশমণি (অ্যাকাশিয়া) ও ইউক্যালিপটাসের। এই প্রেক্ষাপটে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। আগামী জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই কর্মসূচিতে বিদেশি প্রজাতির বদলে দ্রুতবর্ধনশীল দেশীয় গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

কর্মসূচির ধারণাপত্রে বলা হয়েছে, দেশীয় প্রজাতির গাছ দ্রুত বাড়ে। এ উদ্যোগের ফলে প্রাকৃতিক বনের ওপর চাপ কমবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে জলবায়ুঝুঁকি মোকাবিলা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো ও পরিবেশের সার্বিক ভারসাম্য ফেরাতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অঙ্গীকার করেছিল। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

 

আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এক লাখ নিমগাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা আছে সরকারের। উপকূলীয় এলাকায় লাগানো হবে ঝাউ। আর সুন্দরবন এলাকায় রোপণ করা হবে সুন্দরী, গেওয়া, বাইন ও গরানগাছ।

দেশীয় গাছের তালিকায় যা থাকছে

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিদেশি প্রজাতির পরিবর্তে দেশীয় দ্রুতবর্ধনশীল মেহগনি, গামার, জারুল, জীবন, কদম, আগর ও বাঁশগাছ রোপণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন অধিদপ্তর। এ ছাড়া অগ্রাধিকার পাচ্ছে শিলকড়ই, জাম, মহুয়া, বহেরা, অর্জুন, নিম, হরীতকী, কাঁঠাল ও চালতা।

আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এক লাখ নিমগাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা আছে সরকারের। উপকূলীয় এলাকায় লাগানো হবে ঝাউ। আর সুন্দরবন এলাকায় রোপণ করা হবে সুন্দরী, গেওয়া, বাইন ও গরানগাছ।

 

বন অধিদপ্তরের বন সংরক্ষক (প্রশাসন ও অর্থ) আর এস এম মুনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে ছয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে উপকূলীয় বনায়ন, বন পুনরুদ্ধারে বনায়ন, নগর বনায়ন, কমিউনিটিভিত্তিক বনায়ন, বসতবাড়ি ও কৃষি বনায়ন এবং উৎপাদনমুখী বনায়ন।

বিদেশি প্রজাতির পরিবর্তে দেশীয় দ্রুতবর্ধনশীল প্রজাতিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উৎপাদনমুখী বনায়নে আমরা দেশীয় প্রজাতির দ্রুতবর্ধনশীল চারা রোপণ করব। এ খাতে রোপণ করা হবে ১ কোটি ২৫ লাখ গাছ। সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভূমিতে এ বনায়ন করা হবে। এ ছাড়া কৃষি বনায়ন হিসেবে ফলদ ও ঔষধি গাছের ২ কোটি ৫০ লাখ চারা রোপণ করা হবে।’


ঢাকা বিভাগ ক্যাটেগরির আরো সংবাদ