আজ - | | হিজরী

সকালের মধ্যে ১৩ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঢাকা-১৭ আসনের পাঁচ মন্দিরে সাড়ে ৬ কোটি টাকার অনুদান ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার চট্টগ্রামে আসছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের দুটি জাহাজ আবারও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের টঙ্গীতে ভয়াবহ আগুন, প্রায় ৪০ বস্তিঘর পুড়ে ছাই কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন ড. খন্দকার মোশাররফ সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ বিএসএফের গুলিতে কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে প্রিয় শিক্ষিকার অবসরে ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন কোয়েল মল্লিক পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ‘কলকাতা হামলা’ মন্তব্যে ক্ষোভ মমতার এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৮ হাজার লিটার মজুত তেল উদ্ধার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিকট বিস্ফোরণ ইরা   

ডিএসসিসির ৬৩টি ওয়ার্ড ডেঙ্গু ঝুঁকিতে, ২৭টি চরম ঝুঁকিপূর্ণ বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু ৭ জুন

নিউজ ক্রাইম সিক্রেট
  • আপডেট টাইম :   শুক্রবার | জুন ৫, ২০২৬ | ০৫:৫৮ এএম
  • ৮ বার
মোঃ দেলোয়ার হোসেন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টি ওয়ার্ডেই এডিস মশার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে বেশি বা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ডিএসসিসির নগর ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত “বর্ষাপূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপের ফলাফল প্রকাশ ও কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

ডিএসসিসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সহযোগিতায় গত ১২ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। আধুনিক “কবো টুলবক্স” (KoboToolbox) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

জরিপে দেখা যায়, পরিদর্শনকৃত বাড়িগুলোর মধ্যে ২৮১টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে।

লার্ভা শনাক্তের ক্ষেত্রে বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ পাওয়া যায়। এছাড়া স্বতন্ত্র বা একক বাড়িতে ২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং সেমিপাকা বাড়িতে ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে।

পানির উৎস বিশ্লেষণে দেখা যায়, মেঝেতে জমে থাকা পানিতে ১২ দশমিক ২৬ শতাংশ, বালতিতে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং প্লাস্টিকের ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেছে।

ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে আগামী ৭ জুন থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে ৫ দিনব্যাপী বিশেষ “ক্র্যাশ প্রোগ্রাম” পরিচালনা করা হবে। পরবর্তী সপ্তাহে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬টি ওয়ার্ডেও একই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

এছাড়া আগামী ৬ জুন ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর থেকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ ধরনের কর্মসূচি অন্যান্য এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, “শুধু সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাসাবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার রাখা এবং প্রতি তিন দিন অন্তর জমে থাকা পানি অপসারণের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।”

জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সঠিক তথ্য প্রচারের জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিও আহ্বান জানান।


জাতীয় ক্যাটেগরির আরো সংবাদ